মঙ্গলবার

১৬ জুলাই ২০২৪


১ শ্রাবণ ১৪৩১,

০৯ মুহররম ১৪৪৬

 এমপি আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টুর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক || বিজনেস ইনসাইডার

প্রকাশিত: ১৫:৪২, ১৩ জুন ২০২৪  
 এমপি আনার হত্যাকাণ্ড: আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টুর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

সংগৃহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তার রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ। 
 
এর আগে মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমন্ডি থেকে মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
 
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, আনার হত্যাকাণ্ডের প্রধান হোতা আখতারুজ্জামান শাহিনের সঙ্গে মিন্টুর যোগাযোগ ছিল।
 
এর আগে আনার হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৬ জুন রাতে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ ওরফে ‘গ্যাস বাবু’কে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর ৮ জুন আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা অপহরণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আনোয়ারুল আজিম।
 
বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচ দিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনার নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এ সংসদ সদস্যের।
 
২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পাশের নিউটাউন এলাকায় সাঞ্জিভা গার্ডেনস নামে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে সংসদ সদস্য আনার খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

২৮ মে সন্ধ্যায় সঞ্জিভা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এগুলো আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ কি না সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
 
সংসদ সদস্য আনারকন্যা ডরিনের করা হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলায় গ্রেফতার সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাহাজি ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে দুদফা রিমান্ডে নেয়া হয়। আর হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া জিহাদ হাওলাদার ওরফে কসাই জিহাদকে ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বারাসাতের আদালত।
 
এছাড়া বর্তমানে কলকাতা পুলিশের হেফাজতে থাকা সিয়ামের বিরুদ্ধে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আমানের সহযোগী সাইফুল মেম্বারকেও রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

Walton

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়