Anwar Ispat

শনিবার

২২ জানুয়ারি ২০২২


৯ মাঘ ১৪২৮,

১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

Rangdhonu Group

‘বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সুযোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক || বিজনেস ইনসাইডার

প্রকাশিত: ১৬:৩০, ৫ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৬:৪০, ৫ ডিসেম্বর ২০২১
‘বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সুযোগ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ফাইল ফটো

KSRM

ঢাকা (০৫ ডিসেম্বর): সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার কোনো সুযোগ আইনে আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

রবিবার রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনে বিচারপতিদের এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার বিষয়ে এর আগের আবেদন দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হওয়া সত্ত্বেও এখন আবেদনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে না, এর কারণ জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা আমি যেটা বলবো, আপনারা যেটা বলছেন যে পড়ে রয়েছে, আসলে এটা পড়ে থাকেনি। কথাটা হচ্ছে, এর আগের দু’বার আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছিল এবং আইনিভাবেই করা হয়েছিল। এখন অনেক পক্ষ থেকেই আবেদন এসেছে। আইনের কোনো ফাঁক, উপায় আছে কি না? সার্বিক দিক বিবেচনার পরই মনে হয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসা উচিত।

আইনমন্ত্রী বলেন, সেক্ষেত্রে আপনারা দেখেছেন, সবসময় প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক দেখেছেন। আমাদের কথা হচ্ছে, আইনের কোনো ব্যত্যয় যেন না হয়। এবার যখন অনেক আবেদন এসেছে, আইনজীবীদের থেকেও আবেদন এসেছে, সেজন্য সবকিছু ভেবে কিছু করা যায় কি না, এটার একটা সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত আসা আমার মনে হয় সমীচীন। সেজন্য আমরা একটু সময় নিয়েছি।

গত ১২ নভেম্বর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আথ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। নানা শারীরিক জটিলতায় ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫৩ দিন চিকিৎসাধীন থেকে গত ১৯ জুন বাসায় ফেরেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় দ-িত হয়ে খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে অন্তবর্তীকালীন মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত তিন দফায় বেগম জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এরইমধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে আবারও তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন করেন। পরে তা আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, দুই মামলায় দ-প্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দ- স্থগিত রয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন।
 

UCB
Nagad

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়