রোববার

১৭ অক্টোবর ২০২১


২ কার্তিক ১৪২৮,

০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এলডিসি বাণিজ্যমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল সম্মেলন

গ্রাজুয়েশনের পর ১২ বছর সুবিধার প্রস্তাবে সমর্থন চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক || বিজনেস ইনসাইডার

প্রকাশিত: ১৫:১৭, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:৫৪, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
গ্রাজুয়েশনের পর ১২ বছর সুবিধার প্রস্তাবে সমর্থন চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: ভার্চুয়াল সন্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি

ঢাকা (১৭ সেপ্টেম্বর): এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও গ্রাজুয়েশন পরবর্তী সহজ উত্তরণের জন্য ১২ বছর বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাবে সবার সমর্থন চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বৃহস্পতিবার রাতে জেনেভার ইউনাইটেড ন্যাশন্স অফিস এর আঙ্কটাড (UNCTAD) সচিবালয় এর মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের বাণিজ্যমন্ত্রীগণের ভার্চুয়াল সন্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এ সমর্থন চান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও গ্রাজুয়েশন পরবর্তী সহজ উত্তরণের জন্য এলডিসি গ্রুপের পক্ষে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় ট্রেড প্রেফারেন্সের জন্য ১২ বছর সময় বর্ধিতকরণ (এক্সটেনশন) এর যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা সব পক্ষকে সমর্থন করতে হবে। বাংলাদেশ শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা, ট্রিপস ওয়েভার কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন অর্জন করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডব্লিউটিও ‘হংকং মিনিস্টেরিয়াল ডিক্লারেশন’ অনুযায়ী শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা এবং ‘নাইরোবি মিনিস্টেরিয়াল ডিক্লারেশন’ অনুযায়ী এলডিসির জন্য প্রিফারেন্সিয়াল রুলস অব অরিজিন উন্নত দেশগুলোকে দিতে হবে। এলডিসিভুক্ত দেশসমূহের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও কাঠামোগত উন্নয়নে আঙ্কটাডকে কার্যকর সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর ফলে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অর্জিত অগ্রযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফলভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করে যাচ্ছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এলডিসিভুক্ত দেশসমূহের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কোভিড-১৯ এর অভিঘাত, ডিজিটাল ডিভাইড, জলবায়ুর বৈরী প্রভাব মোকাবিলার জন্য চলমান ইন্টারন্যাশনাল সাপোর্ট মেজার্স (আইএসএম) সমূহসহ যুগোপযোগী আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশসমূহকে টেকনোলজি ট্রান্সফার এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে কাঠামোগত সহায়তা দিতে হবে। আগামীতে অনুষ্ঠেয় আঙ্কটাড-১৫, এমসি-১২, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন ওএলডিসি-৫ সন্মেলন ও কার্যক্রম সমূহে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলডিসি ও গ্রাজুয়েটিং এলডিসির স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়সমূহ কার্যকর ভাবে উপস্থাপনের জন্য আঙ্কটাডকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, আঙ্কটাড জাতিসংঘের আন্তরাষ্ট্রিক একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বিষয়ে উন্নয়নশীল দেশসমূহকে নীতি ও উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে থাকে। আগামী ৩ থেকে ৭ অক্টোবর আঙ্কটাড এর ১৫তম অধিবেশন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে। আঙ্কটাড এর অধিবেশনে কোভিড প্রেক্ষাপটে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ট্রেড, ফিন্যান্স এবং টেকনোলজি সহযোগিতাসহ আগামী দশ বছরের জন্য অ্যাকশন প্ল্যান (২০২২-৩১) আলোচিত হবে।

এ সম্মেলনের হোস্ট মালাওয়ির বাণিজ্যমন্ত্রী এবং আঙ্কটাডের সেক্রেটারি জেনারেল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এলডিসি বাণিজ্য মন্ত্রীদের সন্মেলনে বাংলাদেশের সব প্রস্তাবসহ একটি ‘মিনিস্ট্রেয়াল ডিক্লারেশন’ ঘোষণা করা হয়।

 

Finsmart Stay Ahead of Times
Nagad

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়